Post Archive
FriendsDiary.NeT |Friends|Inbox|Chat
Home»Archive»ক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানি !!
ক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানি !!

*

এক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানি ঘুরতে বের হয়েছে আমাজনে। এরা ধরা পড়েছে জংলীদের হাতে।
জংলীরা তিনজনকে একটা কুঁড়েঘরে আটকিয়ে রেখেছে। খুব চমৎকার একটা ফল খেতে দিচ্ছে তাদের। এই ফল খেয়ে তাদের চামড়া খুব মসৃণ হয়ে যাচ্ছে। যেন তাদের যৌবন ফিরে আসছে। এরা তিনজনেই খুশী। এই সুখ অবশ্য বেশিদিন সইল না। একদিন সকালে জংলী সর্দার এল। এসে প্রথম ধরেছে পাকি-টাকে।
-তুমি কিভাবে মরতে চাও?
পাকিটা বলল তোমরা যে ফলটা খেতে দাও, সেই রকম মিষ্টি কোন ফল নিয়ে আস যেটা বিষাক্ত। ওটা খেয়েই আমি মরব।
তার ইচ্ছা অনুযায়ী লাল একটা ফল নিয়ে আসা হলো। পাকিটা “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” বলে ফলটা খেয়ে ফেলল। তার এসে গেলো গভীর ঘুম যা আর ভাঙ্গে না। বাঙালি আর ভারতীয় দুইজন এরপর দেখল ভয়াবহ ব্যাপারগুলা।
জংলীরা পাকিটার মাথা আলাদা করে সেটাকে মমি করে রাখল। বাকি শরীরের চামড়া ছাড়াল। এরপর সেটা দিয়ে বানাল ছোট একটা ক্যানু (canoe, ছোট নৌকা)। এইসব দেখে ভারতীয় আর বাঙালির অবস্থা খারাপ। পনের দিন পর জংলী সর্দার আবার এল। এইবার ভারতীয়টার পালা। ভারতীয়টাও “জয় হিন্দ” বলে ফল খেয়ে মারা গেল। তার মাথার মমি করা হল, চামড়াটা দিয়ে বানানো হলো ক্যানু। কিছুদিন পরে বাঙালির পালা।
তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কিভাবে মরবে? সে চাইলো একটা কাটা চামচ।
এরপর কাটা চামচটা দিয়ে নিজের শরীরের নানা জায়গায় আঘাত করতে করতে বলল, “হালার পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা।”




এক জ্ঞানী লোক হাতির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সে অবাক হয়ে খেয়াল করল,
হাতিটি এমন একটি রশি দিয়ে বাধা- যা কিনা হাতিটির জন্য ছিঁড়ে ফেলা খুবই সহজ। সে হাতিটির মালিককে খুঁজে বের করে এই কথাটি বলল যে, কেন এত হালকা রশি দিয়ে হাতিটিকে বেঁধে রাখা হয়েছে।
হাতিটির মালিক হেসে দিয়ে উত্তর দেয়-
“যখন হাতিটির বয়স খুব অল্প ছিল, তখন এই রশিটিই এর জন্য যথেষ্ট শক্ত হত। বাচ্চা বয়সে তখন অনেক চেষ্টা করার পরও মুক্ত হতে পারেনি। একসময় সে বিশ্বাস করতে শুরু করে যে এই রশি থেকে সে মুক্ত হতে পারবে না। যদিও এখন সে যথেষ্ট শক্তিশালী কিন্তু তার বিশ্বাস তাকে এখানে এই ঠুনকো রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছে।”
অবশেষে জ্ঞানী লোকটি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে- আমরাও অনেক সময় এক-দুই বার কোন কাজে ব্যর্থ হয়ে বিশ্বাস করতে শুরু করি যে–কখনই এ কাজ করা সম্ভব নয়। হাত- পা গুটিয়ে বসে থাকি। কিন্তু আসলেই কি পারবো না?
ব্যর্থতা মূলত শিক্ষার একটি মাধ্যম। এই শিক্ষা থেকে যে অভিজ্ঞতা এবং ফলাফল অর্জন করে নিতে পারে,
সেই হয় জগৎ বিখ্যাত।
0 Comments 32 Views


0/0