Post Archive
FriendsDiary.NeT |Friends|Inbox|Chat
Home»Archive»সিনিয়র আপুর সাথে প্রেম ❤ [Part-1]
সিনিয়র আপুর সাথে প্রেম ❤ [Part-1]

*



লেখকঃ A_S_A
.
আমাদের এলাকার এক আপু আছে যে আমার প্রথম ক্রাশ। আমি যখন প্রথম বোঝতে পেরেছি ক্রাশ কি তখন থেকেই এই আপুর উপর আমি ক্রাশিত। আপুটার নাম পুতুল দেখতেও পুতুলের মতো লাগে। আমি তার সাথে কখনও তেমন ভাবো কোনো কথা বলিনি। রাস্তাঘাটে যখন আপুকে একা দেখি তখন একটা গান গাই, তোকে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে হৃদয়ের কোটরে রাখব...
পুতুল আপু আমাকে কিছু বলতে চায় মনেহয় কিন্তু কেনো জানি বলে না। একদিন কলেজ থেকে আসার পথে এই গান গেয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসছিলাম হঠাৎ একজায়গায় আপু দাড়ালো। আমি তাকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে দূরে দাড়িয়ে থাকলাম। পেছন ফিরে আমাকে ডাক দিয়ে বললোঃ
-এই এদিকে আয়
আমি তার ডাক শোনে কিছুটা ভয় পেয়ে গেলাম। তারপরও তার কাছে গেলাম...
-এই তুই আমাকে দেখে এই গান গাছ ক্যান?
-তোমাকে দেখে গান গাই মানে? আমি তো সব সময় এই গান গাই
-আমার সামনে এই গান আর গাইবিনা
-কেনো?
-গাইবিনা ব্যাস।
-আমি যখন এই গান গাবো তখন তুমি আমার সামনে না আসলেই তো হয়। নিজেকে শাসন না করে আমাকে করছো?
-ভারি দুষ্টু হয়েছিস না
-দুষ্টু হবো ক্যান! জানো আমি যাকে বউ বানাবো তাকে আমি পুতুলের মতো করে রাখব।
-রাখিস রাখিস, এবার আমার সামনে থেকে দূর হ
.
পুতুল আপুর সামনে থেকে দূর হয়ে আমার পরিচয়টা দেই...
আমার নাম রাজ। আমি গ্রামে বেড়ে উঠা সাদাসিধা বাপের ফাজিল ছেলে। আমি এবার ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ি। আর পুতুল আপু সেকেন্ড ইয়ারে। আমরা দুজন আবার একই কলেজে পড়ি
.
বাসায় এসে পুতুল আপুর কথা মনে করে করে হাসছি। মেয়েটাকে আমার বিষণ ভালো লাগে। কোনদিন তেমন ভাবে কোনো কথা বলি নাই। দুবার দুই প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম তখন আম্মার কথা জিঙ্গেস করেছিল। আমিও বলে দিয়েছিলাম আম্মা ভালো আছে, এইতো...
এই মেয়েটা ক্যান যে আমার বয়সে বড় হয়ে জন্ম নিলো। নাহলে আজই প্রপোজ করে দিতাম।
পরদিন একই ভাবে গান গেয়ে যাচ্ছি। পুতুল আপু আমাকে দেখে দাড়িয়ে গেলো। আমাকে কিছু বলেছে হয়তো কিন্তু আমি উল্টোদিকে হেঁটে পুতুল আপুর সামনে থেকে চলে গেলাম। আজ সামনে গেলে নিশ্চুই আমার খবর ছিলো।
পরদিন একই ভাবে রাস্তা দিয়ে দুজন কলেজে যাচ্ছি। আমি তো আমার মার্কা মারা গান গেয়ে যাচ্ছি। আমাকে বললো
-এই দাড়া
-হুম বলো?
-তোকে না বলেছি আমার সামনে গান গাবিনা
-কি মুসিবত... যে গান গেয়েছে তাকে বলো এই গান কেন আবিষ্কার করল! আমি গেয়েছি তার গাওয়া শোনে।
-ভারি ফাজিল হয়েছিস না! এই কথা বলে আমার গালে ঠাশশ টাশশ বসিয়ে দিলো। আমি নাছোড়বান্দার মতো কলেজে চলে গেলাম। কলেজ থেকে দুজন একই বাসে করে গ্রামের আাঁকা বাঁকা পথ বেয়ে নিজের বাড়িতে চলে আসলাম। বাড়িতে আসার আগে কিছু পথ পায়ে হেঁটে আসতে হয়। আজ রাস্তা দিয়ে আসার সময় আমি একদম চুপ ছিলাম। আপু আমাকে যেই থাপ্পড় দিয়েছে একসপ্তাহ ভরা মনে থাকবে। আমাদের বাড়ি থেকে দুই বাড়ি পর পুতুল আপুদের বাড়ি। আমি যখন আমাদের বাড়ির মেইন রাস্তা দিয়ে ঢুকছিলাম তখন দেখেছি পুতুল আপু পেছন ফিরে আমাকে বারবার দেখছে। কি সাঙ্ঘাতিক মাইয়া মাইয়ে। একটা জুয়ান ছেলের উপর হাত তোলতে পরোয়া করল না। আমি না হয়ে যদি অন্য ছেলে হতো তাহলে তো উল্টো ঠাশশ ঠাশশ...
না আমাকে তো মাত্র একটা থাপ্পড় দিয়েছে এটা এ আর এমন কি! কাউকে ভালোবেসেও এমন থাপ্পড় সচরাচর দেওয়া যায়।
ধ্যাত আমি এসব ভাবছি ক্যান। নিশ্চই পুতুল আপু রাগ করে আমাকে থাপ্পড় দিয়েছে। অতিরিক্ত রাগ নাহলে মেয়েরা ছেলেদের উপর হাত তুলতে চায় না। এই টপিক নিয়ে আর কথা নাই বলি।
পরদিন কলেজে যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম কিন্তু পুতুল...
…………চলবে…………
0 Comments 54 Views


0/0